হিলিতে ঈদ উপলক্ষে কামারীদের বেড়েছে কর্ম ব‍্যস্ততা

গোলাম রব্বানী,হিলি প্রতিনিধি:

  পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে দিনাজপুরের  হাকিমপুর উপজেলার হিলি বাজারসহ আশপাশের  বিভিন্ন হাট বাজার গুলোতে কামারীদের  বেড়েছে কর্মব‍্যস্ততা।

মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হলো পবিত্র ঈদুল আযহা।পশু কুরবানী দেওয়া হয় আল্লাহর  সন্তুষ্টির   লাভের জন‍্য। তাই পশু কুরবানী দেওয়ার জন‍্য প্রয়োজনীয় ছুরি,  চাকু, ও  হাসুয়া বটি বিভিন্ন  প্রয়োজনীয় লোহার তৈরী জিনিষ পত্র এসব খুবই চাহিদা বাড়ে।
 উপজেলার  কয়েক টি হাট ও বাজারে  সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় কামারের দোকান গুলোতে কজের প্রচন্ড ভীড়।
উপজেলার মংলা বাজারে গিয়ে কর্মকার সুশান্ত মন্ডলের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়  কুরবানী ঈদের ১০ দিন পুর্বে আমাদের  দোকান গুলোতে কাজের চাপ বেড়ে যায়।
দিনরাত পরিশ্রম করে আমরা তাও কাস্টমারদের চাহিদা পূরণ করতে পারিনা।দোকানে নতুন লোক নিয়োগ করতে হয়।
কর্মকার সুশন্ত মন্ডল বলেন করোনা ভাইরাসের কারনে আমাদের অবস্থা খুবই শোচনীয়,  দোকানে কাস্টমার ছিলনা বললেই চলে।  লকডাউনে আমরা কর্মকারেরা কোন রকম বেচেঁ আছি ছেলে মেয়ে  নিয়ে।
কুরবানী ঈদকে সামনে রেখে গত কয়েক দিনহতে দোকানে কাস্টমার আসতে শুরু করেছে তবে গত বছরের তুলনাই কম।তবে ঈদের এখন ও কয়েক দিন সময় আছে তো আশা করছি  কাজ কর্ম হবে।
হাকিমপুরের ডাঙ্গা পাড়া বাজরের কামার জুয়েল বলেন করোনার কারনে দোকান ঠিকমত খুলতে পারি নাই খুললেও কাজ কর্ম ছিল না।  এমনিতেই করোনার  ভয়ে লোকজন তেমন বাজারে আসেই না। গত ৪/৫দিন হতে দোকানে কাস্টমার আসতে শুরু করেছে।সামনে কুববানী ঈদ আশা করছি কাজ কর্ম হবে।
দোকানে বেশীর ভাগ কাস্টমার পুরাতন দা বটি চাকু ছুরি শান দিতে আসছে কেউ কেউ নতুন দা ছুড়ি তৈরীর ওয়াডার দিচ্ছে। তাই এসময় আমাদের কর্ম ব‍্যস্ততা বেড়ে যায়।
ঈদের পুর্বের রাত পর্যন্ত আমাদের কাজ করে কাস্টমার দের চাহিদা মত জিনিষ পত্র তৈরী করে দিতে হয়।বছরের এই কয়টি দিনই আমরা ব‍্যস্ত সময় পার করি। সে আরও বলে ঈদ উপলক্ষে আমাদের কর্ম ব্যস্ততা বেড়েছে। কিন্তু লোহা এবং কয়লার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা বিপাকে পড়েছি। তারপরও বাপ দাদারা আগের থেকে এই ব্যবসা করে আসছে তাই আমরাও করছি কি করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares