সন্ধ্যায় আঘাত হানতে পারে আম্ফান

নিউজ ডেস্ক  

তীব্রতার মাপকাঠির দিক থেকে সত্তরের দশক থেকে এযাবৎকালে তিনটি ঘূর্ণিঝড়কে সবচেয়ে ভয়ংকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এদের কাতারে যোগ হয়েছে নতুন ঘূর্ণিঝড় আম্ফান।

এই ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের চারপাশে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠেছে, যে অবস্থাকে ‘সুপার সাইক্লোন’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এর আগে ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ে সাগরে বাতাসে একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ছিল ২৪০ কিলোমিটার আর ২০০৭ সালের সিডরের সময়ও বাতাসের সমান গতিবেগ ছিল।

তবে আশার কথা হচ্ছে, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলের দিকে কিছুটা শক্তি কমেছে আম্ফানের। ভারতের ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে আজ বুধবার সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে আম্ফান। বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রমের সময় ১০ ফুট পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উপকূলের জেলাগুলোতে বাঁধগুলো চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলে উদ্বেগ আর উত্কণ্ঠার মধ্যে দিন কাটছে উপকূলের মানুষের। অবশ্য গত নভেম্বরের মতো এবারও ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে উপকূলের মানুষের কাছে রক্ষাকবচ হতে পারে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান সুন্দরবন।

কৃষকের বোরো ধান এখনো পুরোপুরি ওঠেনি। আম ও লিচুও গাছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে তাই কৃষিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আজ সকালে ৭ নম্বর বিপত্সংকেত থেকে বাড়িয়ে মহাবিপত্সংকেত ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডা. মো এনামুর রহমান। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ২০ থেকে ২২ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনা হবে বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares