রংপুরে ভার্সিটি মোড় এলাকায় ঈদ সামগ্রী বিতরণ

বেরোবি প্রতিনিধি:
রংপুর নগরীর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন “ভার্সিটি মোড়” এলাকায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে মিশে থাকা নিম্ন আয়ের মানুষ আর্থিকভাবে পিছিয়ে পরেছে। আজ ১২ মে বুধবার বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে ঈদ সামগ্রী এবং শুভেচ্ছা তুলে দেয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হল ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া,ছাত্রনেতা তানভীর, মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী  বাইজীদ এবং গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী ঐশী। এর আগে গত ১১ মে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের কয়েকজন অস্থায়ীভিত্তিতে কর্মরত কর্মচারীদের ঈদ সামগ্রী এবং আর্থিক সহায়তা পৌছে দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পোমেল বড়ুয়া বলেন,
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় যারা হিমশিম খাচ্ছেন তাদের পাশে রয়েছি আমরা। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের সাথে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত নিম্ন আয়ের  মানুষের মাঝে আমাদের ঈদ উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই যারা আমাদের স্নেহময় ভালবাসার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

ছাত্রনেতা তানভীর আহমেদ বলেন,
স্বল্প সময়ে যতটুকু সম্ভব আমাদের হলগুলোর অস্থায়ী কর্মরত মামা, চাচি এবং ভার্সিটি মোড় এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষদের আমাদের সম্মিলিত ভালোবাসা পৌছে দিয়েছি।ধন্যবাদ শুভাকাঙ্ক্ষীদের পাশে থাকার জন্য

মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী বাইজীদ আহম্মেদ বলেন, ১১মে আমরা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়,রংপুরের হলগুলির কয়েকজন অস্থায়ীভাবে কর্মরত মামা আর খালাদের ভালবাসার ঈদ উপহার পৌছে দিয়েছি এবং ১২ মে ভার্সিটি মোড় এলাকায় কিছু নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী পৌছে দিয়েছি আমরা।দীর্ঘদিন ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় তাদের প্রায় ১ বছরের বেশি সময় ধরে বেতন বন্ধ।এই কঠিন সময়ে যেসকল শ্রদ্ধাভাজন প্রিয় মানুষ অর্থ দিয়ে,অনুপ্রেরণা এবং ভালবাসা দিয়ে পাশে ছিলেন সকলের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এরকম মানবিক কাজের প্রশংসা করেছেন। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার এমন পদ্ধতিকে অনেকে মানবিক কার্যক্রম হিসেবে দেখছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares