বেরোবিতে শিক্ষক নিয়োগবোর্ড কর্তৃক বঞ্চিত শিক্ষার্থী হলেন শিক্ষা ক্যাডারে ১ম

বেরোবি প্রতিনিধি :
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মুন্নী রানী যার স্বপ্ন ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার।ঠিক সেই স্বপ্নকে পূরণ করার লক্ষ্যে করেছেন কঠিন পরিশ্রম। অনার্স-মাস্টার্সে হয়েছে বিভাগের ১ম। কিন্তু হয়ে উঠা হয়নি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বঞ্চিত হয়েছেন নিয়োগবোর্ড কর্তৃক।অবশেষে মেধার প্রমাণ দিলেন ৩৮তম বিসিএস এ শিক্ষা ক্যাডারে দেশ সেরা হয়ে।শিক্ষা ক্যাডারে তার অবস্থান সারাদেশে ১ম।
৩১ জুন, রোজ সোমবার বিপিএসসি ৩৮তম বিসিএসের রেজাল্ট প্রকাশ করে।চারদিকে অভিনন্দনের ছড়াছড়ি।বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়েও এর ব্যাতিক্রম নয়।কিন্তু সবচেয়ে ভাল খবর হচ্ছে শিক্ষা ক্যাডারে বেরোবিয়ানের ১ম হওয়া।পাশাপাশি খারাপ লাগাও আছে, তিনিই সেই শিক্ষার্থী যিনি বিভাগে ১ম হয়েও শিক্ষিক হিসেবে নিয়োগ পায় নি।এতে অনেক মহলই বেরোবিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
দৈনিক কালের কন্ঠের রংপুর বিভাগের প্রতিনিধি শেখ মামুনুর রশিদ তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেন,
বেরোবির এক শিক্ষার্থী তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু মেধা তালিকা থেকে তাঁকে বাদ দিয়ে তার চেয়ে কম রেজাল্টধারী আরেক জনকে ওই বিভাগের প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। আজ বঞ্চিত হওয়া সেই শিক্ষার্থী ৩৮ তম বিসিএসে (শিক্ষা ক্যাডার) প্রথম স্থান অর্জন করে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এরপরেও কি বেরোবির ভিসি বলবেন তাঁর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সচ্ছ হয়েছে? অভিনন্দন ওই শিক্ষার্থীকে যে তাঁর মেধা আর যোগ্যতার প্রমান করেছেন। কিন্তু আপনারা কি পারবেন তাঁর মেধার মূল্যয়ন করতে?
এর আগেও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হওয়ার আবেদন করার পর যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাদের নেয়া হয় নি।বরং তাদের থেকে কম রেজাল্টধারী এবং অনেক বিতর্কিতদের দেয়া হয়েছে নিয়োগপত্র।
আরও কত মেধাবী শিক্ষার্থী বঞ্চিত হবে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তা কারও জানা নেই।শিক্ষক এবং কর্মকর্তা নিয়োগে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা একান্ত কাম্য। নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মুল্যায়িত হোক এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, ঠিক এটিই প্রত্যাশা প্রায় দশ হাজার শিক্ষার্থীর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares