বাহুবলে বালু সিন্ডিকেটের থাবায় হুমকীর মুখে বসতভিটা 

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার অন্যান্য উপজেলার  মত বাহুবলেও বালুকান্ডে হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ। পাহাড়ি ছড়া ও জমি থেকে বালু উত্তোলনের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে অন্যের মালিকানা জমিসহ রাস্তা-ঘাট ও বসত বাড়ি। অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিদের নাম ভাঙ্গিয়ে সরকারি অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মচারী বালু খেকো চক্র থেকে নিচ্ছে বখরা। ফলে মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালিত হলেও নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না বালুচক্র।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, বাহুবল উপজেলার বিস্তীর্ণ পাহাড়ি ও সমতল এলাকা জুড়ে রয়েছে ডজনখানেক ছড়া। পাহাড় ঘেঁষা ব্যক্তি মালিকানা সমতল ভূমিতেও রয়েছে মূল্যবান খনিজ সম্পদ বালু। এক সময়ে অবহেলিত বালু সম্পদের প্রতি তেমন গুরুত্ব না থাকলেও বর্তমানে এর মূল্য অধিক।  যার কারণে একটি সিন্ডিকেট সংঘবদ্ধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চালিয়ে যাচ্ছে নির্বিঘ্নে। সরকারী রাজস্ব ফাকিঁ দিয়ে বালু পাচার হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।
জন চলাচলের রাস্তা দিয়ে ট্রাক ও ট্রাক্টরযোগে বালু পাচারের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এসব সরকারি রাস্তা- ঘাট। সামান্য বৃষ্টিতেই খানাখন্দে পানি জমে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা।  এতে ভোগান্তির মুখে পড়ছেন পথচারী সহ সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা।
বালুকান্ডে জড়িতরা সুসংগঠিত ও প্রভাবশালী হওয়ায় প্রকাশ্যে প্রতিকারের সাহস পাচ্ছেন না অনেক ভুক্তভোগি। আবার কোন ভুক্তভোগী অভিযোগ করলেও প্রতিকার পান না রহস্যজনক কারণে।এব্যাপারে জানতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) বাহুবলকে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি রিসিভ না করায় মন্তব্য জানা যায়নি।
উপজেলার ৭নং ভাদ্বেশর ইউনিয়নের বড়গাও গ্রামের একটি জমি থেকে বালু উত্তোলনের ফলে পাশ্ববর্তী জনৈক আব্দুল হামিদের বাড়ি হুমকি মুখে পড়েছে। ভুক্তভোগি আব্দুল হামিদ জানান, এ সংক্রান্ত বিষটি তিনি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর  দাখিল করেছেন। এ অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বড়গাও গ্রামের আজিদ মিয়া, নূরুল হক সহ কয়েক ব্যক্তি ভূমি খনন করায় বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রসস্থ হচ্ছে। আবেদনকারী এর প্রতিকার দাবি করেন।
বালু উত্তোলনে জড়িত আজিদ মিয়া বলেন পুকুর তৈরির জন্য এখানে খনন করা হচ্ছে, অন্য কিছু না।

Leave a Reply

Shares
Verified by MonsterInsights