বগুড়ার শেরপুরে ৩০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলেন বসুন্ধরা গ্রুপ 

শেরপুর( বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় তিনশ’ অসহায় ও দুস্থ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ। কালের কন্ঠ শুভ সংঘের মাধ্যমে সকলের মাঝে দশ কেজি চাল, তিন কেজি ডাল ও তিন কেজি আটা দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (২৯জুলাই) পৌরশহরের উলিপুর আমেরিয়া সমতুল্যা মহিলা সিনিয়র মাদ্রাসা মাঠে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন শুভসংঘের সদস্যরা। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত হয়ে বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও শেরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু বলেন, করোনা মহামারীতে শুধু বগুড়া জেলা নয় গোটা বাংলাদেশ ও পুরো বিশ্ব বিধ্বস্ত।

মহামারী সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকারের পাশাপাশি দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারই অংশ হিসেবে বসুন্ধরা গ্রæপ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। কালের কণ্ঠ শুভসংঘের মাধ্যমে পুরো বগুড়া জেলার প্রত্যেক উপজেলায় দুস্থ মানুষদের খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে। এর জন্য আমি বসুন্ধর গ্রুপকে ধন্যবাদ জানাই। করোনার বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে আপনারা সবাই মাস্ক পরবেন। সাবান দিয়ে হাত ধুবেন।

টিকা নিয়ে নিবেন। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ময়নুল ইসলাম, শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, পৌরসভার মেয়র জানে আলম খোকা, কালের কণ্ঠ শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান, কালের কণ্ঠ’র ব্যুরো প্রধান লিমন বাসার, শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সাত্তার, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি নিমাই ঘোষ, শুভসংঘ বগুড়া জেলার উপদেষ্টা মোস্তফা মাহমুদ শাওন, শেরপুর উপজেলা শাখার উপদেষ্টা মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু, ডা. আখতারুল আলম আজাদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শরীফ মাহ্দী আশরাফ জীবন, বগুড়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শিশির মোস্তাফিজ, শেরপুর শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল হাই বারী, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল কাদের মজনু, সদস্য শাহনাজ পারভীন, অ্যাড. এহসানুল হক, হাবিবুর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, রোকেয়া বেগম, ইমরান হোসেন, শাহিন আলম, উত্তরা ইউনিভার্সিটির সাবেক সভাপতি আলমগীর হোসেন রনি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কালেরকণ্ঠ শেরপুর উপজেলা প্রতিনিধি আইয়ুব আলী।বসুন্ধরা গ্রুপের খাদ্যসামগ্রী পেয়ে সেফাত আলী বলেন, ‘হামি কাম করবার পারিচ্চি না। বুকত সমস্যা হয়। ছোলরা পৃথক থাকে। ট্যাকা পয়শা দিবার পারে না। তোমাকের ত্রাণ দিয়া হামরা কয়েকদিন খাবার পারিমু।

তোমাকের জন্য দোয়া করিচ্চি।’হাকিম মিয়া নামের আরেকজন বলেন, ‘করোনার মধ্যে হামি ভ্যান চালাবার পারিচ্চি না। কামকাজ বন্ধ হয়া রইছে। কেউ হামাক সাহায্যও দিচ্চে না। বউ-ছোল নিয়া ক্যাবার করে খামু। তোমরা আজ চাল-ডাল দিচ্চো। এই খাবার দিয়া হামাকের ১০ দিন চইলা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares