পায়রা বন্দরের জমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকাভূক্তির দাবিতে মানববন্ধন

প্রনব নারায়ন বিশ্বাস,কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা বন্দরের ভূমি অধিগ্রহনে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের বসতঘর তালিকাভূক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের চরচান্দুপাড়ার বুড়োজালিয়া জেলে পল্লী এলাকায় ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের ভূক্তভোগী জনগন এ মানববন্ধন করেন। ২৭ টি পরিবারের বসতঘরে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত এইচ.বি নাম্বার থাকা সত্ত্বেও পটুয়াখালী এল.ও অফিসের কতিপয় অসাধূ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবৈধ সুযোগসুবিধা দিতে না পারায় তাদের বসতঘর তালিকার আওতায় নেয়া হচ্ছে না বলে ভূক্তভোগীরা মানববন্ধনে দাবি করেন।

জানা যায়, কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের একাধিক ঘড়বাড়ি পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ নিয়ে নেয়। ২০১৪ সালে বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রতিটি ঘর যাচাই-বাচাই সাপেক্ষে তালিকাভূক্তি করণের জন্য এইচ.বি নাম্বার দেয়। এইচ.বি নাম্বার অনুযায়ী অন্যান্য ঘর তালিকাভূক্ত করা হলেও স্থানীয় ২৭ টি পরিবারের ঘর তালিকার আওতায় নেয়া হয়নি। ওই ২৭ টি ঘরের প্রতিটিতে পায়রা বন্দর কতর্ৃক এইচ.বি নাম্বার থাকা সত্ত্বেও অবৈধ অর্থ দিতে না পারায় তাদের ঘরগুলো তালিকায় অন্র্Íভূক্তি করা হয়নি বলে ভূক্তভোগীরা মানববন্ধনে অভিযোগ তুলেন। তাদের মতে, প্রতিটি ঘর ক্ষতিগ্রস্থ হিসাবে তালিকাভূক্তি করার জন্য পটুয়াখালী এল.ও অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবৈধ অর্থ দিয়ে ঘর তালিভূক্ত করতে হয় বলে বক্তারা জানান।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য মো. মহসীন দালাল ও সোহেল প্যাদা জানান, আমাদের প্রতিটি ঘরে এইচ.বি নাম্বার রয়েছে। ২০১৪ সালে পায়রা বন্দর কতর্ৃপক্ষ আমাদের প্রতিটি ঘর ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার হিসাবে তালিকাভূক্ত করে এইচ.বি নাম্বার দেয়। কিন্তু আমরা এল.ও অফিসের কর্মকর্তাদের অর্থ দিয়ে খুশি করতে না পারায় আমাদের ঘরগুলো তালিকার বাহিরে রেখে দেয়। আমরা এর সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে আমাদের ঘরগুলো তালিকাভূক্তির আওতায় নেয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামান করছি।

ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড আ.লীগের সাধারন সম্পাদক শাহীন তালুকদার ও উক্ত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাফর আলী হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, পটুয়াখালী এল.ও অফিসের অসাধূ কর্মকর্তাদের যোগসাজশে অবৈধ অর্থের বিনিময়ে নতুন ঘর তালিকাভূক্ত হলেও ৩০ বছর পূর্বের ঘরন তালিকাভূক্তি হয়নি। এমনকি পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃপক্ষ প্রতিটি ঘরের এইচ.বি নাম্বার থাকা সত্ত্বেও ২৭ টি পরিবার তালিকার বাহিরে রয়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares