পটুয়াখালীতে করোনার ঝুঁকি নিয়ে স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছেন ডাঃ শাহিন

জিল্লুর রহমান জুয়েল,জেলা প্রতিনিধি:

‘মানুষ মানুষের জন্য’ জীবন জীবনের জন্য’ মনে করেই ছোট বেলা থেকে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। আজ এই কোভিট১৯ করোনা আক্রান্তে মহামারী দূর্যোগে একজন ডাক্তার হয়ে নিজের জীবনের মায়ার জন্য ঘরে বসে থাকতে পারিনা বল্লেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সরকারী হাসপাতালের উপ- সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ এইচ এম শাহীন মাহমুদ।

দেশের বর্তমান করোনা মোকাবেলায় সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম কর্মসূচী গ্রহন করে জাতির জনজীবন সুরক্ষায় সকল প্রশাসক, আইনসৃঙ্খলা বাহীনির পাশা-পাশি দেশে সকল সরকারী বেসরকারী হাসপাতাল সমূহের ডাক্তার নার্চ সহ নিরালস ভাবে করোনা মোকাবেলা করে জনসাধারনের স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছে মানবতার অকিতভয় নিবেদিত কিছু বীর সাহসী ডাক্তার যুবরাজ।

তার’ই কিছু ব্যতিক্রম হয়নি গলাচিপা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ডাক্তার এইচ, এম শাহীন মাহমুদ তিনি তার জীবনকে বর্তমান দূর্যোগ মোকাবেলার একজন অতনত্র প্রহরী সৈনিক হিসেবে মানব সেবায় নিজেকে সবসময়’ই প্রস্তুত রেখেছেন।

১১ এপ্রিল শনিবার সকাল দশটায় জরুরী বিভাগে কথা হলো ডাক্তার শাহীন মাহমুদের সাথে, তিনি তার সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বলেন, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে মান অভিমান করার সময় নয়। এখন’ই মানুষ মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। কি পেলাম, আর কি পেলাম না” তার হিসেব করতে চাইনা। তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য সেবাদানে আমাদের যথেষ্ঠ পরিমানে পার্সনাল প্রোটেকশন ইকুইয়েটমেন্ট (পিপিই), হ্যান্ড গ্লাপস্, হ্যান্ড সেনিটাইজার সহ জরুরী প্রয়োজনীয় ইনষ্টোমেন্টের অভাব থাকলেও নিজেদের অর্থায়নে তা সংগ্রহ করে আমারা রোগী সেবা সেবা অব্যাহত রেখিছি।

শুধু তাই নয়, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মনিরুল ইসলাম এর নির্দেশে স্বাস্থ্য সেবা চালিয়ে যাচরছেন। তবে, এ মহামারী করোনা মোকাবেলায় আমাদের জনগনের উচিত, সরকারী আইন মেনে সমাজিক দূরুত্ব বজায় রাখা, অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বাহির না হওয়া, মাক্স, হ্যানিটাইজার ব্যাবহার করা, ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া নিয়োম গুলো মেনে চলে, জনসচেতনতা বারিয়ে তোলাই হতে পারে করোনা ভাইরাস থেকে আমাদের বাঁচাতে পারে বলে জানান।

এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার মনিরুল ইসলাম বলেন, জনসচেতনতার কোন বিকল্প নেই। হ্যা, কথাটি সত্যি যে, করোনা মোকাবেলায়, আমাদের যথেষ্ঠ প্রয়োজনীয় ইক্যুয়েটমেন্ট নেই, তার পরেও আমাদের ডাক্তাররা বিরামীন স্বাস্থ্য সেবার জন্য চব্বিশ ঘন্টা সেবা চালু রেখেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares