ভোলার দুলারহাটে পশুর হাটগুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

রাহাদুল ইসলাম শামীম,দুলারহাট প্রতিনিধি:

ভোলার দুলারহাটে পশুর হাট গুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ‍্যবিধি কেউই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। অনেকেই স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা জেনেও পরেন না মাস্ক

কোরবানির ঈদকে ঘিরে জমতে শুরু করেছে চরফ্যাশনের পশুর হাটগুলো ।তবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুর হাটে কেনাবেচার নির্দেশনা দিলেও কোনো হাটেই তা মানা হচ্ছে না। সংক্রমণের শঙ্কা থাকলেও ক্রেতা-বিক্রেতাদের কেউই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি।

এদিকে, সংক্রমণ এড়াতে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এ বছর অস্থায়ী পশুর হাটকে নিরুৎসাহিত করে পশু বেচাকেনায় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মোঃ রুহুল আমিন উপজেলা নির্বাহি অফিসার চরফ্যাশন।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হলেও থানার অস্থায়ী পশুর হাটগুলোতে জমে উঠেনি বেচাকেনা শুরু হয়েছে স্থায়ী পশুর হাটের। ঈদ উপলক্ষে এসব হাটে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ নিয়ে আসছেন বিক্রেতারা। পুরোদমে বেচাকেনা শুরু না হলেও শুক্রবার থেকে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকারি ক্রেতা-বিক্রেতার পাশাপাশি স্থানীয় ক্রেতা-বিক্রেতাদের সমাগম হয় পশুর বৃহৎ হাট ভোলার দুলারহাটে।

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সংশ্লিষ্টদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

কিন্তু সেখানে স্বাস্থ্যবিধি বা সামাজিক দূরত্ব না মেনেই চলে কেনাবেচা। কেউই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। অনেকেই স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা জেনেও পরেন না মাস্ক। কারও কারও কাছে মাস্ক দেখা গেলেও তা ঝুলছিল থুতনিতে। ইজারাদাররা হাটে ঢোকার আগে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখেনি ।

দূরত্ব বজায় না রেখে ঘেষাঘেষি করেই চলছে পশু বেচাকেনা। হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা থাকলেও কোনো তদারকি নেই বলে জানান সচেতন লোকজন।

দুলার হাট বাজারে গরু ক্রয় করতে আসা মোঃ নুরুল ইসলাম বলেন, আমি মাস্ক পরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গরুর বাজার গরু ক্রয় করতে এসেছি। কিন্তু এখানে স্বাস্থ্যবিধি অনেকেই মানছেন না, করোনা নিয়ে কারও ভীতি নেই। পশুর হাটে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে।সে আরো বলেছেন গরু বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ে সংক্রমণের ঝুঁকিতে আছে।

দুলারহাট বাজারে গরু বিক্রি করতে আসা মোঃ বাচ্ছু (২৭) খামারি বলেন, “মাস্ক পরার ইচ্ছে থাকলেও গরু বাজারের ভেতরে এসব নিয়ম মেনে চলা কঠিন কাজ। মানুষের ভিড়, বৃষ্টিবাদল, পশুর যত্ন নেওয়াসহ অনেক ব্যস্ত থাকতে হয়। ঝুঁকি জেনেও আমরা সবসময় স্বাস্থ্যবিধি মানতে পারি না।”

কৃষক মোঃ শিরাজ মিয়া (৭৪) বলেন “বেশিরভাগ মানুষইতো নিয়ম মানে না, মাস্ক পরে না। আমি একা পরলে আর কী হবে?” তিনি শিকার করেছেন যে তিনি ঝুঁকিতে আছে জানা সর্তেও মাস্ক পরেন নি।

দুলারহাট বাজারের ইজারাদার মোঃ আলাউদ্দিনের অনুপস্থিতিতে দায়িত্বে থাকা ইয়াকুব আলী চৌধুরী (২৯) বলেন, দেশের কোথাও স্বাস্থ্য বিধি মানছে না। এখানে বেশিরভাগ মানুষ অসচেতন, ইজারাদারি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য তারা জনগনকে সচেতন করার লক্ষ্যে প্রবেশ গেটে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা রেখেছেন।

কিন্তু ঘটনা স্থলে গিয়ে দেখা যায় নেই কোনো হাত ধোয়ার ব্যবস্থা নেই সামাজিক দূরত্বের বালাই।

আরও পড়ুন

নিজের যৌন জীবন নিয়ে যা বললেন দীপিকা

এ বিষয়ে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমের ডাক্তার মোঃ জাফর ইকবাল বলেন ইজারাদারি প্রতিষ্ঠান কোন হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখেননি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে কোন উদ্বেগ নেননি, এরকম অসচেতন ব্যক্তিদের জন্য ক্রমাগত সচেতন ব্যক্তিরা ঝুঁকিতে পড়ছে। সে আরও বলেন গরুর হাটে নেই কোন প্রশাসনের তৎপরতা

এ প্রসঙ্গে দুলারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, আগামীকাল ২১,জুলাই ২০২০ তাং উপজেলা তে জরুরী সভা ডাকা হয়েছে।সেখানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares